2026 পাঠ্যসূচি
বিষয় – বাংলা ♦ শ্রেণি – দশম

পূর্ণমান – ৮০ + ১০ = ৯০

গদ্য : গল্প

১। জ্ঞানচক্ষু
২। বহুরূপী

কবিতা

১। আফ্রিকা
২। আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি
৩। অসুখী একজন

প্রবন্ধ

১। হারিয়ে যাওয়া কালি কলম

নাটক

১। সিরাজদ্দৌলা (নির্বাচিত অংশ)

পূর্ণাঙ্গ সহায়ক গ্রন্থ

১। কোনি (নির্বাচিত অংশ)

ব্যাকরণ

১। কারক ও অ-কারক সম্পর্ক
২। সমাস

নির্মিতি

১। প্রবন্ধ
২। অনুবাদ
৩। সংলাপ / প্রতিবেদন

প্রকল্প – ১০

পূর্ণমান – ৮০ + ১০ = ৯০

গদ্য : গল্প

১। পথের দাবী
২। অদল বদল

কবিতা

১। অভিষেক
২। প্রলয়োল্লাস

প্রবন্ধ

১। বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান

নাটক

১। সিরাজদ্দৌলা (নির্বাচিত অংশ)

পূর্ণাঙ্গ সহায়ক গ্রন্থ

১। কোনি (নির্বাচিত অংশ)

ব্যাকরণ

১। বাক্য
২। বাচ্য

নির্মিতি

১। প্রবন্ধ
২। অনুবাদ
৩। সংলাপ / প্রতিবেদন

প্রকল্প – ১০

পূর্ণমান – ৯০ + ১০ = ১০০

গদ্য : গল্প

১। নদীর বিদ্রোহ

কবিতা

১। সিঁড়িতীরে
২। অন্নের বিরুদ্ধে গান

প্রবন্ধ

১। পূর্বাপর

নাটক

১। সিরাজদ্দৌলা (নির্বাচিত অংশ)

পূর্ণাঙ্গ সহায়ক গ্রন্থ

১। কোনি (নির্বাচিত অংশ)

ব্যাকরণ

১। পূর্বাপর

নির্মিতি

১। প্রবন্ধ
২। অনুবাদ
৩। সংলাপ / প্রতিবেদন

প্রথম ও দ্বিতীয় অর্ধবার্ষিকীর সম্পূর্ণ পূর্বাপর

প্রকল্প – ১০

দশম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যসূচি কীভাবে পড়বে : ছাত্রছাত্রীদের জন্য সহজ টাইম টেবিল ও পড়ার পরিকল্পনা

দশম শ্রেণির পড়াশোনা প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে সঠিক পরিকল্পনা করে পড়াশোনা করলে পড়া সহজ হয় এবং পরীক্ষায় ভালো ফল করা সম্ভব হয়। অনেক সময় ছাত্রছাত্রীরা বুঝতে পারে না কোন বিষয় কীভাবে পড়বে বা কোন অধ্যায় আগে পড়া উচিত। তাই একটি সহজ টাইম টেবিল এবং সঠিক পড়ার পদ্ধতি জানা খুবই দরকার। বাংলা বিষয়ের পাঠ্যসূচিতে গদ্য, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, ব্যাকরণ এবং নির্মিতি রয়েছে। তাই প্রতিদিন একটু করে সব অংশ পড়ার অভ্যাস তৈরি করা উচিত। যদি সঠিকভাবে সময় ভাগ করে পড়া যায়, তাহলে পুরো সিলেবাস খুব সহজেই শেষ করা সম্ভব। প্রথমে গদ্য বা গল্পের অংশ পড়া শুরু করা ভালো। যেমন “জ্ঞানচক্ষু”, “বহুরূপী”, “পথের দাবী”, “অদল বদল” এবং “নদীর বিদ্রোহ”। গল্প পড়ার সময় শুধু মুখস্থ না করে পুরো গল্পটি ভালোভাবে বুঝতে হবে। গল্পের মূল বিষয়, চরিত্র এবং লেখকের বক্তব্য বোঝার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিদিন একটি গল্পের একটি অংশ পড়লে খুব সহজে সব গল্প শেষ করা যায়।

এরপর কবিতা অংশ পড়তে হবে। কবিতা পড়ার সময় প্রতিটি লাইনের অর্থ বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ। “আফ্রিকা”, “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি”, “অসুখী একজন”, “অভিষেক”, “প্রলয়োল্লাস”, “সিন্ধুতীরে” এবং “অন্নের বিরুদ্ধে গান” কবিতাগুলি ধীরে ধীরে পড়ে তার ভাবার্থ বোঝার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিদিন একটি কবিতা পড়ে তার সারাংশ লিখে রাখলে মনে রাখা অনেক সহজ হয়।

প্রবন্ধ অংশও খুব গুরুত্বপূর্ণ। “হারিয়ে যাওয়া কালি কলম”, “বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান” এবং “পূর্বাপর” প্রবন্ধগুলি মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। প্রবন্ধ পড়ার সময় মূল বক্তব্য এবং গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলি খেয়াল করা দরকার। এতে পরীক্ষায় বড় প্রশ্নের উত্তর লেখা সহজ হয়।

নাটক “সিরাজদ্দৌলা” এবং সহায়ক গ্রন্থ “কোনি” পড়ার সময় গল্পের মতো করে পড়া উচিত। এতে কাহিনি এবং চরিত্রগুলো সহজে মনে থাকে। এই দুটি অংশ পরীক্ষায় প্রায়ই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আসে, তাই ভালোভাবে বোঝা জরুরি। ব্যাকরণ অংশও নিয়মিত অনুশীলন করা দরকার। কারক ও অ-কারক সম্পর্ক, সমাস, বাক্য এবং বাচ্য—এই বিষয়গুলি প্রতিদিন একটু করে পড়া উচিত। শুধু পড়লেই হবে না, উদাহরণ দিয়ে অনুশীলন করলে বিষয়গুলি আরও পরিষ্কার হয়। নির্মিতি অংশে রয়েছে প্রবন্ধ লেখা, অনুবাদ এবং সংলাপ বা প্রতিবেদন লেখা। এই অংশে ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য নিয়মিত লিখে অনুশীলন করা দরকার। সপ্তাহে অন্তত দুই দিন লিখে প্র্যাকটিস করলে লেখার দক্ষতা অনেক বাড়ে।

একটি সহজ দৈনিক টাইম টেবিল হতে পারে এইভাবে—
সকালে ৩০ মিনিট গদ্য বা গল্প পড়া, বিকেলে ৩০ মিনিট কবিতা পড়া এবং রাতে ২০–৩০ মিনিট ব্যাকরণ অনুশীলন করা। সপ্তাহে দুই দিন প্রবন্ধ বা অনুবাদ লেখার অনুশীলন করা যেতে পারে। সপ্তাহের শেষে পুরো সপ্তাহে যা পড়া হয়েছে তা একবার পুনরাবৃত্তি করা খুবই দরকার। এইভাবে পরিকল্পনা করে পড়াশোনা করলে পুরো বাংলা সিলেবাস খুব সহজেই শেষ করা যায়। ছাত্রছাত্রীদের আরও সুবিধার জন্য Tomar e-Pathshala ওয়েবসাইটে এই সমস্ত অধ্যায়ের সহজ নোট, প্রশ্ন-উত্তর, ব্যাখ্যা এবং পড়ার নির্দেশিকা দেওয়া আছে। তাই ছাত্রছাত্রীরা চাইলে Tomar e-Pathshala ওয়েবসাইট থেকে প্রতিটি বিষয় সহজভাবে শিখে পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top